
নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও
ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের স্থায়ী ‘নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার’ (কাজী) মৃত্যু পরবর্তী পদটি শূন্য থাকায় ভোগান্তিতে স্থানীয়রা। কাজী না থাকায় বিবাহ নিবন্ধন, তালাক রেজিস্ট্রিও প্রবাসীদের জরুরী বৈবাহিক সনদ পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে।জানা যায়,কক্সবাজারের ইসলামাবাদ ইউনিয়নে স্থায়ী কাজী নুরুল আজিম চলতি বছরের ১০ই জুন মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যু পরবর্তী নতুন কোন রেজিস্ট্রার নিয়োগ না হওয়ায় পুরো ইউনিয়নে প্রশাসনিক ও বিবাহ সংক্রান্ত কাজ অস্থায়ীভাবে চালানো হচ্ছে। জরুরী প্রয়োজনে পাশের এলাকা থেকে কাজী এনে বিবাহ এবং তালাক নিবন্ধনের কাজ চালাতে হচ্ছে। যার ফলে অতিরিক্ত অর্থসহ সময় ব্যয় হচ্ছে। এতেই বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষ।সচেতন মহল জানান, একটি জনবহুল ইউনিয়ন দীর্ঘদিন স্থায়ী কাজী না থাকায় সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার ও আইনি সেবা পাওয়া বাধা গ্রস্ত হচ্ছে। স্থায়ীভাবে নতুন কাজী নিয়োগ অতি জরুরী হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন এলাকাবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ও জেলা রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনাও করেন। জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে অবিলম্বে সৎ, দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিকে স্থায়ী ‘নিকাহ ও তালাক রেজিস্ট্রার’ নিয়োগ দিয়ে ভোগান্তি স্থায়ী অবসান ঘটানোর দাবী এলাকাবাসীর।ইসলামাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি হুমায়ুন কবির কোম্পানি জানান,ইউনিয়নের কাজী মারা যাওয়ার পর এখনো নতুন কাজী নিয়োগ পায়নি।ঈদগাঁও ইউনিয়নের কাজী নুরুল আলম জানান,ইসলামাবাদের কাজী নুরুল আজিমের মৃত্যু পরবর্তী পদটি শুন্য থাকায় অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন পোকখালীর কাজী মুজিবুর রহমান। ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম কাজীর পদ শুন্যের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত আবেদন প্রদান করা হয়েছে।
